শেষ শয্যায় শায়িত হলেন নায়করাজ

শেষ শয্যায় শায়িত হলেন নায়করাজ রাজ্জাক। ২৩ আগস্ট বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে ২২ আগস্ট মঙ্গলবার দুই দফায় জানাজা শেষে সদ্য প্রয়াত নায়ক রাজরাজ্জাককে বনানী কবরস্থানে দাফন করার কথা থাকলেও তার মেঝো ছেলে রওশন হোসেন বাপ্পী কানাডা থাকায় পিছিয়ে দেয়া হয় দাফনের সময়। গতকালই বাপ্পী কানাডা থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওয়ানা হন। বাপ্পী বুধবার সকালে কানাডা থেকে দেশে ফেরার পর সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বনানী কবরস্থানে রাজ্জাকের দাফন সম্পন্ন হয়।
২১ আগস্ট সোমবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে হার্ট অ্যাটাক হওয়া অবস্থায় নায়করাজ রাজ্জাককে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে আনা হয়। এরপর সন্ধ্যা ৬টার পরপর রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। এরপর ২২ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে এফডিসিতে নেওয়া হয় রাজ্জাকের মহদেহ।
সেখান প্রথম জানাজা শেষে দুপুর ১২টার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানায় নায়করাজকে। চলচ্চিত্র জগতের অভিভাবকের মৃত্যুতে আগামী তিন দিন কর্মবিরতি পালন করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতি।
রাজ্জাক ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার টালিগঞ্জে ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার খানপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্বরসতী পূজা চলাকালীন মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের জন্য তার শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাকে বেছে নেন নায়ক অর্থাৎ কেন্দ্রীয় চরিত্রে। শিশু-কিশোরদের নিয়ে লেখা নাটক বিদ্রোহীতে গ্রামীণ কিশোর চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই নায়ক রাজের অভিনয়ে সম্পৃক্ততা।
প্রায় ৫০ বছর ধরে চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করছেন রাজ্জাক। তিনি ১৯৬৪ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় পাড়ি জমান। প্রথম দিকে রাজ্জাক তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশনে ‘ঘরোয়া’ নামের ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হন। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি আব্দুল জব্বার খানের সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান।



এই প্রতিবেদন টি 254 বার পঠিত.