বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুনন্নেছা’র ৮৭তম জন্মবার্ষিকীতে সভায় এমপি কেয়া চৌধুরী

বাহুবলের ভাদেশ্বরে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুনন্নেছা’র ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এমপি কেয়া চৌধুরী

বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন দেখেছেন; বঙ্গমাতা স্বাধীনতা’র বাস্তবায়নে প্রেরণা ও সাহস যুগিছেন
শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবনাদর্শ চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এমপি কেয়া চৌধুরী। ৮ আগস্ট মঙ্গলবার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার জেলার বাহুবল উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দৌলতপুরে আওয়ামীলীগ ও গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত সভায় তিনি এ আহবান জানান।
আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এমপি কেয়া চৌধুরী বলেন, ‘আমি আশা করি, শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। এতে করে নতুন প্রজন্মরা- বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক অজানা অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবে। শুধু শহরে নয়, গ্রামের নারী-পুরুষ, যুব সমাজকে জানাবার জন্য শেখ ফজিলাতুন নেছার জীবন দর্শন আলোচনা করতে হবে।
তিনি বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই’। মহীয়সী এই নারী ছিলেন বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর। জাতির পিতার সহধর্মিণী হিসেবে তিনি আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।
তিনি বলেন, শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন সহজ-সরল নিরহঙ্কার একজন মানুষ। একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের প্রতিষ্ঠাতা, রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ জীবন-যাপনে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। সাধারণ বাঙালি নারীর মতো স্বামী-সংসার, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনেও তিনি অনন্য ভূমিকা রেখে গেছেন।
শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৈতৃক নিবাসে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির জনকের হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেন এই মহিয়সী নারী। বেগম ফজিলাতুন নেছার কাছে ছিল শিক্ষার মূল উপাদান। বঙ্গমাতা বাঙালি রমণীদের জন্য যে আদর্শ রেখে গেছেন তা যুগ যুগ ধরে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। এ সভায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আপ্তাব উদ্দীন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি হাজী তাহের মিয়া, সাধারণ সম্পাদক হামদু মিয়া সহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অত্র সভার সভাপতিত্ব করেন রেজুয়ান আহমদ চৌধুরী।



এই প্রতিবেদন টি 251 বার পঠিত.