শেখ হাসিনার রাজনীতি নিপিড়নকে প্রশয় দেয় না-একাব্বর হোসেন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন পাকিস্তানী শাসক শ্রেণীর জুলুম-নিপিড়ন ও বঞ্চনা থেকে মুক্ত হবার জন্য। বঙ্গবন্ধু ২৩ বছরের দুঃশাসন থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। মূলত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল ১৬ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, দিয়েছে একটি সংবিধান ও পতাকা। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক মঞ্চে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বারবার মিলিটারী জান্তা পাকিস্তানের শাসক শ্রেণীর অনুকরণে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করেছিল অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও শাসন ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষের জন্য সেই দূর্ভেদ্য রাজনীতি অনুধাবন করা ও তা অতিক্রম করা ছিল কষ্টকর। এক ধরনের ক্ষোভ ও হতাশা জনজীবনকে দীর্ঘসময় আকড়ে ধরে ছিল। এই অঞ্চলের জনসমষ্টির সর্বকালেই একটি প্রত্যাশা ছিল সঠিক ও যোগ্য নেতৃত্বের।
রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক অবহেলা থেকে মুক্ত হতে মানুষ ব্যাকুল হয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পর বারবার আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে থাকে ষড়যন্ত্র। আওয়ামী লীগকে একদিকে যেমন ঘুরে দাড়াতে হয়েছে ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার মধ্য দিয়ে অন্যদিকে জনগণের দীর্ঘ দিনের জীবন কেন্দ্রীক ছোট-বড় প্রত্যাশা পূরণে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে গিয়ে দাড়াতে হয়েছে সাধারণ মানুষের পাশে। অধিকার প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র বিমোচন, ক্ষুদামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক গ্রামীণ পরিবেশে পরিবর্তন ঘটাতে হয়েছে অবকাঠামোর। ছিল না সঠিক যাতায়াত ব্যবস্থা। ছিল না মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ছিল না স্বাস্থ্য সেবা, ছিল না সামাজিক সুবিধাদি। এই সংকট থেকে উত্তরণ ঘটানোর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের রাষ্ট্র ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করার মধ্য দিয়ে দেশের অগ্রগতি-উন্নয়ন এর ধারাবাহিকতা চলমান রাখার জন্য সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে এগিয়ে চলছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাংবাদিক লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরী মাননীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা একাব্বর হোসেনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের অবস্থান, রাষ্ট্রের ভাগ্য, জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে একান্ত আলাপ করেছেন। লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরী সাক্ষাৎকারটি সম্পূর্ণ রেকর্ড করেছেন মহান সংসদে এবং উল্লেখযোগ্য অংশ সবার জন্য প্রকাশিত করা হয়েছে এখানে।
লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরীঃ আওয়ামী লীগের হাত ধরে বাংলাদেশে স্বাধীনতা এসেছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সংবিধান রচনা করেছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে আওয়ামী লীগ সাত দশক সংগ্রাম ও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের ৬৮ বছরের পথযাত্রাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেছেন?
একাব্বর হোসেনঃ আওয়ামী লীগ এমনই একটি রাজনৈতিক সংগঠন যা সাধারণ মানু্েযষর সম্পৃক্ততায় জন্মলাভ করেছে। বারবার এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আওয়ামী লীগ আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ইতিহাসে ৬৮ বছরের অধ্যায় অতিবাহিত করেছে আওয়ামী লীগ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে সেটাই আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বৃহৎ অর্জন। এই দেশ তারপর একটি শক্তিশালী সংবিধান পেয়েছে। স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু যখন দেশ পূনঃগঠনে ব্যস্ত ছিলেন সেসময়ই তাকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ সালের ভয়াবহতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বাঁক পরিবর্তন করে দিয়েছিল। হত্যাকান্ডের পর পরই শুরু হয়েছিল দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা। বারবার আওয়ামী লীগকে ঘুরে দাড়াতে হয়েছে। ২১ বছর লড়াই-সংগ্রাম করে ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণভোটে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। আওয়ামী লীগ গণমানুষের রাজনৈতিক আশ্রয়স্থল। গণমানুষের রাজনৈতিক দল। আওয়ামী লীগ যতবার ঘুরে দাড়িয়েছে ততবারই তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নেক্কারজনক ষড়যন্ত্র সংগঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্রের মূল শক্তি কৃষিতে বাংলাদেশকে পাঁচটি বছর এগিয়ে যাওয়ার পরও ২০০১ সালে আওয়াম?ী লীগকে ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছিল। তারপর দেশে দুঃশাসন প্রতিষ্ঠা হলো। তারপর অসংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছর দেশ শাসন করল দূর্নীতি দমনের অজুহাত দেখিয়ে। দেশে আর গণতন্ত্র বলে কিছুই থাকল না। রাষ্ট্র হারাল রাজনৈতিক অধিকার। সংসদ বলে কিছু ছিল না সেসময়। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র হচ্ছে প্রতিটি দেশের পার্লামেন্ট। আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভোট ব্যাংক আওয়ামী লীগকে পূনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিয়ে এসেছে সেই নির্বাচনে। এসময় আওয়ামী লীগই শক্তিশালী হয়ে উঠেনি শুধু শক্তিশালী হয়ে উঠল বাংলাদেশ। রাষ্ট্রের উন্নয়ন একটি কঠিন প্রত্যায় ও অধ্যায়। আওয়ামী লীগ বারবার সেক্ষেত্রে সফলতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা রাজনৈতিক দলের প্রতি জনগণের একটি প্রধান দাবি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে আওয়ামী লীগ কঠোর সিদ্্যধান্ত নিতে পেরেছে। যা কিনা ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও দর্শণ। যা কিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ ও দর্শন। গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংবিধান রক্ষার স্বার্থে ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে যথাসময়ে নির্বাচন দেয়। আওয়ামী লীগ পূনরায় রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। গণতন্ত্রের এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ তার সুফল পেয়েছে। বিশ্ব একসময় বাঙ্গালী জাতি সম্পর্কে ভিক্ষুক জাতি ছাড়া আর কোন ধারণা করত পারত না। উন্নত রাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে শুধুমাত্র সাহায্য সহযোগিতা নেয়া ছাড়া আর কোন লক্ষ্যবস্তু ছিল না একসময় বাংলাদেশের। শেখ হাসিনা ভিক্ষাবৃত্তির ধারা পরিবর্তন করে দিয়েছেন। বাংলাদেশ এখন পর মুখাপেক্ষি রাষ্ট্র নয়। আওয়ামী লীগ বাঙ্গালী জাতিকে সাম্প্রতিক সময়ে ঐক্যবদ্ধ করে কঠোর পরিশ্রমি করে তুলেছে। পরনির্ভরশীলতা থেকে বাঙ্গালীকে মুক্ত করে আনার অন্য কোন বিকল্প পথ ছিল না আত্মনির্ভরশীল করে তোলা থেকে। দাতা রাষ্ট্রগুলো সহজেই বাংলাদেশের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পেরেছে। বাংলাদেশ এখন নি¤œমধ্যম আয়ের রাষ্ট্র নয় বরং মধ্যম আয়ের রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে স্বীকৃতি অর্জন করবে। যদি আওয়ামী লীগ তার ধারাবাহিক সাফল্য টিকিয়ে রাখতে পারে তাহলে বাংলাদেশের অগ্রগতি আরও দ্রুত ও সহজলভ্য হবে।
লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরীঃ আঞ্চলিক উন্নয়ন সম্পর্কে আপনি আমাদের মূল প্রতিপাদ্য অবহিত করবেন কি? চলতি অর্থবছর (২০১৭-১৮) সালের মূল লক্ষ্য কি আপনার?
একাব্বর হোসেনঃ আমি পরপর তিনবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। আমার নির্বাচনি অঞ্চলের মানুষ আমাকে অত্যন্ত ভালবাসে, পছন্দ করে। রাজনীতিতে আমি যা করেছি শুধু মানুষের জন্যই করেছি। কোন মানুষের প্রতি আমি অন্যায়-অত্যাচার করিনি আজ অবধি। ভিন্ন মতাদর্শের প্রতি আন্তরিক থেকেছি চিরকাল। স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতি করেছি। কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। প্রথম যখন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলাম তখন ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামাত। এজন্য কিছুই করতে পারিনি। ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত মির্জাপুর এর জন্য তেমন কিছুই করতে পারিনি। কিন্তু নবম জাতীয় সংসদে ২০০৮ সালে নির্বাচিত হবার পর থেকে বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মির্জাপুরে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। প্রতিটি নদীর উপর দিয়ে একাধিক সেতু নির্মাণ হয়েছে এই অঞ্চলে। প্রতিটি ইউনিয়নে পিচ ঢালা সড়ক তৈরী হয়েছে। প্রতিটি গ্রামেই স্কুলগুলোর বিল্ডিং নির্মাণ করা হয়েছে। উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। চলতি অর্থবছরেও এই অঞ্চলে বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।
লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরীঃ নির্বাচনে আপনার প্রত্যাশা কি?
একাব্বর হোসেনঃ জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সময়ের প্রযোজন। মানুষ মরণশীল। আমার মৃত্যুর পর যারা নেতৃত্বে আসবেন তাদেরকেও মানুষ একসময় গ্রহণ করে নিবে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর আমরা কোনদিনও পেছনে হটে যাইনি। গ্রেফতার হয়েছি। দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। শেখ হাসিনা গ্রেফতার হলে আমরা আন্দোলন করেছি। তার পক্ষে জনমত সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছি। দলের জন্য এবং বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনার জন্য সবসময়ই শক্তিশালি ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। এসব কারণেই প্রত্যাশার জন্ম হয় আমার। দেশ, দল ও মানুষের জন্য সংগ্রাম ও লড়াই করতে প্রত্যাশার প্রয়োজন।
লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরীঃ নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকে কিভাবে দেখছেন আপনারা?
একাব্বর হোসেনঃ নির্বাচন কমিশন বরাবরই একইভাবে গঠিত হয়, ভূমিকা রাখে এবং নির্বাচন পরিচালনা করে থাকে। বিগত বছরগুলোতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রার্থি নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের পরিচয় নিরুপণ করা যায়। নির্বাচন কমিশন আগামী নির্বাচনের জন্য যে রোড ম্যাপ দিয়েছে তার উপর সকল দলের আস্থা রাখা উচিত। নির্বাচনে সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিরূপ ধারণা পোষণ অনুচিত। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর রাষ্ট্রীয় সকল কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে যায়।
লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরীঃ বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ক্ষুদামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর। বর্তমানে চলমান অগ্রগতিকে আগামী নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করার মধ্য দিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে কতটা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে?
একাব্বর হোসেনঃ বাংলাদেশের শাসনভার যোগ্য দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তার প্রভাব পরেছে রাষ্ট্রে। দেশের অগ্রগতি হচ্ছে পূর্বের সরকার থেকে আনুপাতিক হারে অনেক অনেক বেশী। বিগত সাড়ে আট বছরে বাংলাদেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ সময় বলা যেতে পারে। রাজনীতিতে এভাবে ন্যায় নীতি প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশে আরো সফলতা আসবে। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোই মূল বিষয়। বর্তমান সরকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে মানুষ ভালো থাকে। আওয়ামী লীগ আগামী নিবৃাচনেও বিজয়ী হবে।
লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরীঃ বিদ্যুৎ এর চাহিদা পূরণ করার বিষয়ে আপনি কতটা সফল হতে পেরেছেন?
একাব্বর হোসেনঃ বিদ্যুৎ এর চাহিদা মানুষের পূর্বেও ছিল, এখনও আছে। বিদ্যুৎ এর চাহিদা পূরণ করা বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পল্লী বিদ্যুৎ কিন্তু বলেছে তারা ২০১৮ সালের মধ্যেই বিদ্যুৎ এর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই কাজ চলছে।
লুৎফুল্লাহ হীল মুনীর চৌধুরীঃ আপনাকে ধন্যবাদ।
একাব্বর হোসেনঃ আপনাকেও ধন্যবাদ।



এই প্রতিবেদন টি 4861 বার পঠিত.