ধর্মঘটে ভোগান্তিতে পর্যটকরা


বিশেষ প্রতিনিধি: বিজিবি সদস্য ও পরিবহন এক শ্রমিকের সাথে কথাকাটাকাটির জের ধরে সৃষ্ট সংঘর্ষে দোকানপাট গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে বিভিন্ন হোটেল,গ্রেষ্ট হাউজ, রেষ্ট হাউজে আটকা পড়েছে প্রায় শতাধিক পর্যটক। শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬ টা থেকে চলমান এ ধর্মঘটে উৎন্ঠায় রয়েছেন পর্যটকরা।

ট্যুরিজম সার্ভিস এজেন্সি ‘এইচ খান ট্রাভেলস্ এন্ড ট্যুরিজম’ এর পাবলিক রিলেশন অফিসার আঞ্জুমান রোবী জানান, প্রাইভেট গাড়ি ও পাবলিক সার্ভিসেস কোন যান বাহন চলাচল সম্ভব না হওয়ায় পর্যটকরা কোথাও বের হতে পারছেন না। শ্রীমঙ্গল থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগ্রামী বাস চলাচলও বন্ধ থাকায় কোন পর্যটক তাদের গন্তবে ফিরতে পারছেন। তিন শতেরও বেশি পর্যটক আটকা পড়েছেন বিভিন্ন হোটেলে। তবে পযর্টকরা নিরাপদে আছেন কোন ধরণের অসুবিধা হচ্ছেনা।

এদিকে বিকেল ৫টায় শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা চত্তরে এক বিশাল সমাবেশ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সিলেট বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক সজিব আলী ধর্মঘট অব্যাহত রাখার ঘোষনা দেন। এসময় তিনি আগামী ৮তারিখের মধ্যে বিজিবি সদস্যদের বরখাস্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের ক্ষতিপুরন না দিলে সিলেট বিভাগকে অচল করে দেওয়ার হুমকি দেন। যার ফলে এই মৌসুমে চরমে বিপাকে পড়তে পারে পারেন পর্যটক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

উল্লেখ্য: বৃহস্পতিবার ৫ জানুয়ারি বিকেলে শ্রীমঙ্গল শহরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর এক সদস্যের সাথে কথাকাটাকাটির জের পরিবহন শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে।
এদিকেশ্রীমঙ্গলে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



এই প্রতিবেদন টি 734 বার পঠিত.