শ্রীমঙ্গলে শুক্রবার সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ ধর্মঘট চলছে

স্টাফ রিপোর্টার:
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিজিবি সদস্যদের গুলির ঘটনায় শহরের সর্বত্র এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এঘটনার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতি শুক্রবার সকাল থেকে শহর ও শহরতলীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। শ্রীমঙ্গলের মালিক শ্রমিক সংগঠন ও ব্যবসায়ী সমিতি বৃহস্পতিবার রাতে শহরে মাইকিং করে এ ধর্মঘটের ডাক দেয়। এরই প্রেক্ষিতে আজ

অন্যদিকে একজন ড্রাইভার গুলিবিদ্ধের ঘটনার বিচারের দাবিতে শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে সকল প্রকার যানবাহনের ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রীমঙ্গলের মালিক-শ্রমিক সংগঠন।
জেলা পরিবহন স্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সঞ্জিব দেব বলেন,এ রকম নেক্কারজনক ঘটনা মৌলভীবাজারের ইতিহাসে কখনো ঘটে নাই, কেন সীমান্ত রক্ষী বাহিনী স্রমিক ও সাধারণ জনগনের উপর এ ভাবে ঝাপিয়ে পড়লো তা আমাদের বুধগম্ম হচ্ছেনা । আমরা এসব ঘটনার নিন্দা জানাই এবং শ্রিমঙ্গল থেকে বিজিবির সদর দফতর এখান থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানাই ।

এ সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্মঘটের কথা জানিয়ে রাত সাড়ে দশটারদিকে শহরে মাইকিং করা হয়। এদিকে মৌলভীবাজারের সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুলিবিদ্ধদের মধ্যে ব্যবসায়ী পবিত্র পালের অবস্থার অবণতি হলে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, এক পরিবহন শ্রমিকের সঙ্গে বিজিবি কর্মকর্তার গাড়ির ওভারটেকিং নিয়ে বাকবিতণ্ডার জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনার সূত্রপাত হয়। এরপর বিজিবি ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিজিবির ছোড়া গুলিতে ছয়জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলিবিদ্ধরা হলেন- ব্যবসায়ী পবিত্র পাল, গাড়িচালক শাহ আলম, ব্যবসায়ী সুকুমার দাশ, ব্যবসায়ী ইকবাল মিয়া। তারা মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


এদিকে আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় শ্রীমঙ্গল চৌমোহনায় পরিবহন মালিক শ্রমিক ইউনিয়ণের প্রতিবাদ সভায় জনস্রোত নামে, শ্রমিকের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভা থেকেও সিদ্ধান্ত আসে আগাসী ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত পরিবহন ও ব্যবসায়ীদদের ধর্মঘট চলবে। সার্বিক পরিস্থিতিতে দফায় দফায় চলছে বৈঠক, সন্ধা ৭টায় পৃথকভাবে প্রতিবাদ সভা করবে ব্যবসায়ী সমিতি। এসভায়ও শ্রমিকরা অংশগ্রহণ করবেন।



এই প্রতিবেদন টি 732 বার পঠিত.