বর্ষায় বেড়ানো পাংথু-মাই

সুমন দে : সিলেটে প্রকৃতির অপার সুন্দর্যের জাফলং, শ্রীপুর, মাধবপুর লেক, মাধবকুন্ড, রাতারগুল, হামহাম বিশেষ ভাবে সুপরিচিত। পাংথু-মাই জলধারা (ঝর্ণা) কাছে থেকে দেখার মত জায়গা। আকাশ ছোয়া মেঘালয় পাহাড় থেকে গর্জন করে সমতলে বয়ে আসছে স্বচ্ছ ঝর্ণাধারা। পাংথু-মাই খাসিয়া সম্প্রদায়ের নামকরণ। সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় পাংথু-মাই গ্রাম। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে টলমলে স্বচ্ছ জলধারার ছোট্ট নদী। পাংথু-মাই ঝর্ণার কাছে যেতে প্রথমে মেঘালয় পাহাড়টা নিল রঙের দেখাযায় কিন্তু যতই ঝর্ণার কাছে এগুতে থাকবেন গাড় সবুজে পরিনত হবে। ভ্রমন বিলাসি  পর্যটকরা নৌকা ভ্রমন করতে পারবে। মেঘালয় পাহাড় সিলেট জেলার অধিকাংশ এলাকা বেষ্টনি দিয়ে নিলাব পাহাড়ের প্রকৃতির সুন্দর্যের চাদরে মোড়ে আছে। সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন এলাকার মত পাংথু-মাই জলধারা (ঝর্ণা) পর্যটকদের আকর্ষিত করবে।
Panatumai3কি ভাবে যাবেনঃ সিলেট শহর খেকে বাসে বা প্রাইভেট গাড়ি করে প্রথমে গোয়াইনঘাট, গায়াইনঘাট খেকে ১৫ কি: মি: দুরত্ব পাংথু-মাই। গ্রামের শেষ প্রান্তে প্রকৃতির অপার সুন্দর্যের পাহাড়। গোয়াইনঘাট থেকে নীল রঙের পাহাড় বর্ষা কালে পাংথু-মাই এর পথে এগুতে গেলে ধিরে ধিরে সবুজে পরিনত হয়। পাংথু-মাই যেতে সিলেট শহর খেকে দেড় ঘন্টার মত সময় লাগবে।



এই প্রতিবেদন টি 292 বার পঠিত.