বঙ্গবন্ধুর খুনীদের সম্পত্তি জব্দ হচ্ছে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দণ্ডপ্রাপ্ত খুনিদের সম্পত্তি জব্দে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে সংসদে জানিযেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এ ছাড়া পলাতক থাকা খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন দেশে ‘ল-ফার্ম’ নিয়োগ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

১৫ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে এ বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন সরকার দলীয় সাংসদ শফিকুল ইসলাম শিমুল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খুনিদের স্থাবর সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাব জব্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কি ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা সুনির্দিষ্ট করে জানাননি তিনি।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ‘ল ফার্ম’ নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া খুনিদের অবস্থান চিহ্নিত করতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে খুনিদের ছবি সম্বলিত তথ্য বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারী ও দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের সব স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। ওই বিষয়ে একটি টাস্কফোর্স কজ করছে বলে এর আগে সংসদে জানিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে স্বপরিবারে খুন হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দীর্ঘদিন বিচার ঝুলে থাকার পর ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে নিস্পন্ন হয়। ওই রায়ে ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কারাগারে আটক পাঁচ আসামির ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়। তারা হলেন সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ, বজলুল হুদা, মহিউদ্দিন আহমেদ, একেএম মহিউদ্দিন।

বাকি পাঁচজন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পালিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হয়। তারা হলেন নূর চৌধুরী, আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এম রাশেদ চৌধুরী, আব্দুল মাজেদ ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন। এ ছাড়া আজিজ পাশা নামে এক আসামি ২০০১ সালে জিম্বাবুয়েতে মারা যান।



এই প্রতিবেদন টি 197 বার পঠিত.