ধর্ষকের কাছে থেকে মক্তির জুতো

ভারতে আবিস্কার হল ধর্ষকের কাছে থেকে মক্তির জুতো। নির্ভয়াকাণ্ডের কালোছায়া আজও তাড়া করে বেরায় পথচলতি একলা মেয়েদেরকে৷ যেকোনও মুহূর্তে তাদের উপর আক্রমণের ভয়ে তটস্থ থাকেন তারা৷ ধর্ষণের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচী গ্রহণ করা হলেও শেষ অবধি কোনও কিছুই মহিলাদেরকে রক্ষা করতে পারেনা৷ কিন্তু দেশের যুবসমাজই এবার এগিয়ে এল মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবে৷ তারা আবিষ্কার করল এমন একটি বিশেষ জুতো যা সহজেই এই বর্বরোচিত এবং কুরুচিপূর্ণ কাজ থেকে মহিলাদেরকে রক্ষা করবে৷ সতেরো বছর বয়সী সিদ্ধার্থ মন্ডালা এই অভিনব জুতোর আবিষ্কার করে প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছেন ভারতবাসীর কাছে৷ হায়দরাবাদের বাসিন্দা সিদ্ধার্থের এই বিশেষ জুতোটির নাম ‘ইলেক্ট্রো শু’৷

এই জুতোটি কিভাবে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কাজ করবে সেই প্রসঙ্গে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে সে বলে, এই জুতোটি সম্পূর্ণভাবেই মহিলাদের জন্য৷ যদি পথে একলা চলতে গিয়ে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাহলে সাতপাঁচ না ভেবে পা চালিয়ে দিন ধর্ষকের দিকে৷ তাহলেই ওই ‘ইলেক্ট্রো শু’ থেকে বেরিয়ে আসা ইলেক্ট্রিক শক৷ আর তাতেই ঘায়েল হয়ে যাবে শত্রুপক্ষ৷ এই বিশেষ জুতোটি থেকে বেরিয়ে আসবে ০.১অ্যাম্ফেয়ারের ইলেক্ট্রিক শক৷ আর শত্রুপক্ষকে ইলেক্ট্রিক শক দেওয়ার পাশাপাশি মুহূর্তের মধ্যে পুলিশের কাছেও চলে যাবে খবর এবং যার উপর আক্রমণ করা হবে তার পরিবার বন্ধু বান্ধবের কাছেও চলে যাবে যে সে সুরক্ষিত নেই৷

সিদ্ধার্থ সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছে৷ সে ফিজিক্স এবং পড়াশুনায় ব্যবহৃত নির্দিষ্ট বেশ কিছু কোড দিয়ে বানিয়ে ফেলেছে এই বিশেষ জুতোটি৷ এছাড়াও এই জুতোর পিছনে রয়েছে একটি বিশেষ প্রযুক্তি৷ এছাড়াও রয়েছে একটি বিশেষ সারকিট বোর্ড৷ এটি অটোমেটিক নিজের জুতোতে নিজেই চার্জ দিতে সক্ষম৷ এই জুতো ব্যবহারকারী যত বেশি হাঁটবেন তত এটির মধ্যে চার্জ হতে থাকবে৷ তিনি আরও জানিয়েছেন, নির্ভয়া কাণ্ডের পরই তার মাথায় এই বিষয়টি আসে৷ মহিলাদের কিভাবে সুরক্ষা দেওয়া যেতে পারে সেই নিয়ে দীর্ঘ চার বছর সে পড়াশুনাও করে৷ এরপরই মহিলাদের জন্য এই সেল্ফ ডিফেন্স ডিভাইসটি আবিষ্কার করে সিদ্ধার্থ৷ এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য সিদ্ধার্থ বিভিন্ন মহলে প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছেন ইতিমধ্যেই৷

 

সুত্র: কলকাতা 24×7



এই প্রতিবেদন টি 280 বার পঠিত.