চাই মানসিকতার পরিবর্তন

চাই মানসিকতার  পরিবর্তন

রাফেয়া আবেদীন

পরিবেশ সম্পর্কে আমাদের মানসিক পরিবর্তনই আমাদের নিয়ে যাবে অনেক দূরের আলোকিত পথে। যে আলোয় দেখতে পাবো সুন্দর ও কাক্সিক্ষত বাংলাদেশ। আমি মনে করি, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের প্রয়োজন এবং সহজাত একটি বিষয়। আমাদের চারপাশের প্রকৃতি ও পরিবেশকে রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের। কীভাবে সেই লক্ষ্যে আমরা পৌঁছাতে পারি- চলুন যাত্রা শুরু করি ২০১৭ থেকে। এই কাজের মধ্য দিয়ে আমরা দেশপ্রেমের স্বাক্ষর রাখব।

পৃথিবীর উষ্ণতা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বনভূমি উজাড় হওয়ার ফলে জলবায়ুর উষ্ণতা বাড়ছে। এটি আমাদেরকেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ জন্য ২০১৭ সালে আমি  আমার প্রতিষ্ঠান ‘হেরিটেজ ক্রিয়েটিভ কাউন্সিল’-এর মাধ্যমে ৩ হাজার গাছের চারা রোপণের অঙ্গীকার করেছি। একস্থানে গাছের চারা রোপণ করলে সেটি একটা ক্ষুদ্র বনাঞ্চল হয়ে যেতে পারে। এত বড় স্থানের সংকুলান নাও হতে পারে। সুতরাং আমাদেরকে ভাবতে হবে অন্য উপায়। এজন্য শহর বা গ্রামের বড় রাস্তার ধারে, পতিত জমিতে, নদী-খাল-বিলের ধারে গাছ লাগানো যেতে পারে। সকলকে সম্পৃক্ত করে এগিয়ে যেতে হবে।
আপনি যে অঞ্চলে থাকুন না কেন আপনারা আমার সাথেই আছেন। কেউ যদি এই উদ্যোগে আগ্রহী হন তবে আপনাদের করণীয় কাজগুলি এরূপ হবে :

পতিত জমি বা প্রধান সড়কের পাশে [যেখানে গাছ লাগালে কাটা পড়ার সম্ভাবনা থাকবে না] গাছের চারা রোপণ করবেন। গাছগুলি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনাদের। গাছের ফল বা অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন আপনারা। তবে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার ছবি তুলে Time to time পাঠাবেন। আমার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে Monitoring করা হবে। সফল উদ্যোক্তাদেরকে পুরষ্কৃত করা হবে ২ বছর অন্তর।
আপনাদের জন্য প্রয়োজ্য :

১। আপনার অঞ্চলে গাছে কোনো বিজ্ঞাপন থাকতে পারবে না।
২। গাছে রং করা থেকে সকলকে বিরত রাখবেন।
৩। গাছের নিচে ময়লা আবর্জনা রেখে আগুন জ্বালানো যাবে না।
৪। গাছকে পাখির বসবাসের উপযোগী করার চেষ্টা করবেন।
৪। আপনার অঞ্চলে জলাধারের তীরে আপনারা [উদ্যোক্তাগণ] মিলিত হবেন মাসে ১ বার। পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।



এই প্রতিবেদন টি 626 বার পঠিত.