ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর (ভিডিও)

রিফাত কান্তি সেনঃ সূর্যাস্তের আবেগে রঙে ভাসে ধরণী নিঃশব্দে ছড়ায়ে স্মিত হাসি রাশি রাশি।” কবির কবিতায় যেভাবেই সূর্যাস্ত ফুটে উঠুক না কেনো বাস্তবিক জীবনে সূর্যাস্ত একটু হলেও মনকে দোলা দিয়ে যায়।”তাই মেঘনার বুকে সূর্যাস্তের খেলা দেখতে জনতার ভিড়।

দেশের অন্যতম ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুর।রয়েছে ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সম্ভাবনার নানা দ্বার। রূপালী ইলিশ কোথাও তুমি খুঁজে পাবে না ভাই।ইলিশ দেখতে চাইলে চাঁদপুরে আসা চাই।রৌদ্রের ঝিঁকি-মিকি মেঘনা, পদ্মার বুকে যখন অবিরত, জেলের দল পাল তুলে ইলিশ ধরে শত শত।

একসময় ভাঙন কবলিত চাঁদপুর আজ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে। প্রিয় (দর্শক), আমরা আজ আছি চাঁদপুরে।রূপালী ইলিশের শহর চাঁদপুর।পদ্মা, মেঘনা,ডাকাতিয়ার মিলন মেলা দেখতে যদি চাও ভাই।ইলিশের শহর চাঁদপুরে চলে আসো তাই।

‘মেঘনা’,দেশের বৃহত্তম নদীর একটি।এর পাশ ঘেষে রয়েছে ভয়ঙ্কর,বৃহত্তম নদী পদ্মা।তিন নদীর মহনায় মিলিত নদী পদ্মা,মেঘনা আর ডাকাতিয়া মিলনস্থল বড় স্টেশন মোলহেড।

অপার সৌন্দর্যে ঘেরা শহর চাঁদপুর।বড় স্টেশন মোলহেড অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।নদীর মিতালী দেখতে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা।

মেঘনায় শত, সহস্র নৌযান চলে অবিরত।দেশের অন্যতম নদীবন্দর গুলোর মধ্যে অন্যতম চাঁদপুর। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী সহ দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের নদী পথে যাতায়াতের একমাত্র ট্রানজিট মেঘনা। এছাড়া দেশের নাম করা নৌযান গুলো মেঘনা,পদ্মার বুকে ভেসে ছুটে চলে রাজধানী শহর ঢাকার উদ্দ্যেশে।

ইলিশ ধরতে জেলেরা ছুটে চলে ভয়ঙ্কর পদ্মা,মেঘনায়। ইতিহাস বলে চাঁদপুর ব্যবসায়ের জন্য প্রসিদ্ধ স্থান। এই চাঁদপুরেই এক সময় ব্যবসা করে গেছেন চাঁদ সওদাগরের মত ধর্ণাঢ্য ব্যবসায়ীরা।ধারণা করা হয় চাঁদ সওদাগরের নামনুসারে চাঁদপুরের নাম করন করা হয়।

অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি সুস্বাদু ইলিশ।চাঁদপুরের চাহিদা মিটিয়ে ইলিশ পৌছে যায় জেলা,বিভাগ এমন কি দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে ও।তবে মাঝে মাঝে অসাধু ব্যবসায়ী আর জেলেদের নিষ্ঠুরতায় ইলিশ তার দৈহিক গঠন পরিপূর্ণ হওয়ার আগেই শিকারির ছোবলে পরে।যাকে আমরা ঝাটকা ইলিশ হিসেবে আখ্যায়িত করি। প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে অর্থাৎ আশ্বিন মাসের ভরা পূর্ণিমার আগের ৪দিন, পূর্ণিমার ১দিন এবং পরের ১৭দিন মিলে মোট ২২দিন মা-ইলিশধরা নিষিদ্ধ করেছিল।

সে সময়সীমা বাড়িয়ে এখন ৩০ দিন করা হয়েছে।এ সময় জেলেদের মা- ইলিশ ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ।ঐ সময় জেলেদের ভাতা খাদ্য সহায়তা প্রদান করে সরকার।যা কিনা জেলা প্রসাশনের মাধ্যমে পৌছে যায় জেলেদের নিকট।



এই প্রতিবেদন টি 325 বার পঠিত.